• ১৩ কার্তিক ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Chief Justice Of India

দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

‘সুপ্রিম কোর্টের দরজা সবার জন্য খোলা’, তা হলে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করলেন না কেন? জানালেন প্রধান বিচারপতি

সুপ্রিম কোর্টের দরজা সবার জন্য খোলা। সোমবার এই মন্তব্য করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। কিন্তু তা হলে রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়্গের সঙ্গে দেখা করতে রাজি হলেন না কেন? এই প্রশ্নের জবাবে প্রধান বিচারপতি জানালেন, কেন তিনি সাক্ষাৎ করতে পারবেন না, তা চিঠিতেই জানিয়েছেন। তবে সেই চিঠির বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে আনতে চাননি তিনি।প্রধান বিচারপতি জানান, রাহুল গান্ধীর চিঠি তিনি আগের দিন পেয়েছিলেন। সে দিন রাতেই তার জবাবও দিয়েছেন। তাঁর কথায়, চিঠিতে এমন কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে, যার জন্য তিনি রাহুলের সঙ্গে দেখা করতে পারছেন না।কী সেই কারণ? এই প্রশ্নের উত্তরে সূর্য কান্ত বলেন, চিঠিতে কী লেখা রয়েছে, তা রাহুল গান্ধীর কাছেই জানতে চাওয়া উচিত। তিনি চিঠির গোপনীয়তা বজায় রেখেছেন বলেও জানান প্রধান বিচারপতি।তবে সাধারণ নাগরিক থেকে জনপ্রতিনিধিসকলেরই আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার অধিকার রয়েছে বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি। প্রধান বিচারপতির বক্তব্য, যে কোনও ভারতীয় নাগরিক আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আসতে পারেন। তিনি সাধারণ নাগরিক হোন বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, আইন মেনেই তাঁদের বক্তব্য শোনা হবে এবং তাঁদের অধিকার রক্ষা করা হবে।দিল্লির পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কোনও মন্তব্য করতে চাননি প্রধান বিচারপতি। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে যুক্ত বলে জানান তিনি।উল্লেখ্য, ভোট চুরির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে প্রধান বিচারপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে চেয়েছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে। সোমবার তাঁদের এই আবেদন ঘিরেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়।তবে আগের দিন রাতেই তাঁদের আবেদন খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতি। তাঁর বক্তব্য, বিরোধী নেতারা যে বিষয়গুলি তুলতে চাইছেন, সেগুলি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন রয়েছে। সাংবিধানিক কাঠামো অনুযায়ী, সরকারের কাজে হস্তক্ষেপ করার প্রশাসনিক ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের নেই বলেও তিনি জানিয়েছেন।ফলে রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়্গের সঙ্গে সাক্ষাৎ না হলেও আদালতের দরজা সকলের জন্য খোলাএই বার্তাই দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। তবে চিঠিতে সাক্ষাৎ না করার যে কারণগুলি উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলি আপাতত প্রকাশ্যে আসেনি।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
দেশ

সুপ্রিম কোর্টের দরজা ২৪ ঘণ্টাই খোলা’, তরুণদের ন্যায়বিচারের আশ্বাস প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের

দেশের তরুণ প্রজন্ম ও সাধারণ নাগরিকদের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি (CJI) সূর্য কান্ত। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দেশের কোনও নাগরিক যদি অন্যায়ের শিকার হন, তাহলে আইনি প্রক্রিয়া মেনে তাঁর অভিযোগ শোনার জন্য সুপ্রিম কোর্ট সর্বদা প্রস্তুত। বিশেষ করে তরুণদের আশ্বস্ত করে প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচার বিভাগ তাঁদের অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পিছপা হবে না।দেশজুড়ে চলমান ছাত্র আন্দোলন এবং গত ২০ জুলাই দিল্লিতে চলো সংসদ কর্মসূচিকে ঘিরে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ ও কথিত অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ নিয়ে যখন বিতর্ক তুঙ্গে, ঠিক সেই সময়েই প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।হিন্দুস্তান টাইমস-কে দেওয়া এক বক্তব্যে বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রতি অন্যায় হয়ে থাকলে সুপ্রিম কোর্ট আইন ও নির্ধারিত বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় সেই অভিযোগ শুনবে। যেখানে আদালতের হস্তক্ষেপের সুযোগ রয়েছে, সেখানে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে বলেও তিনি জানান।প্রধান বিচারপতির বলেন, আমি প্রতিটি নাগরিক এবং বিশেষ করে দেশের তরুণদের আশ্বস্ত করতে চাই যে, যদি কারও প্রতি কোনো অবিচার হয়ে থাকে, তবে সুপ্রিম কোর্ট আইন ও নির্ধারিত বিচারিক প্রক্রিয়ার সীমার মধ্যে থেকে সেই অভিযোগ শুনবে। যেখানেই সম্ভব, আমরা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করব। জনগণের সমস্যা ও দুর্ভোগের সমাধানে বিচার বিভাগ সর্বদা প্রস্তুত।চলমান বিক্ষোভের নেতৃত্বে থাকা ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র আন্দোলনের যৌক্তিকতা বা দাবির গুণাগুণ নিয়ে অবশ্য কোনও মন্তব্য করতে চাননি প্রধান বিচারপতি। তাঁর বক্তব্য, বিষয়টি বর্তমানে আদালতের সামনে রয়েছে। তবে সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি শুনতে অস্বীকার করেছেএমন দাবি সঠিক নয় বলেও তিনি স্পষ্ট করে দেন।তিনি জানান, আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যখন প্রথম আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছিল, তখন যথাযথ আইনি পদ্ধতি অনুসরণ করে কোনও আবেদন দাখিল করা হয়নি। আদালতের কাছে জরুরি শুনানির আবেদন জানিয়ে কেবল একটি চিঠি বা স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এই ধরনের চিঠি বা স্মারকলিপি সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়েরের স্বীকৃত আইনি পদ্ধতি নয়।প্রধান বিচারপতির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টে কোনও বিষয় নিয়ে শুনানি চাইলে নির্ধারিত নিয়ম মেনে যথাযথ আবেদন বা পিটিশন দাখিল করতে হয়। পরে যখন নিয়ম মেনে আবেদনগুলি দায়ের করা হয় এবং আদালতের সামনে সেগুলির বিষয়টি উত্থাপন করা হয়, তখন সেগুলিকে শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এই প্রসঙ্গেই প্রধান বিচারপতি বলেন, প্রতিটি নাগরিকের জন্য সুপ্রিম কোর্টের দরজা ২৪ ঘণ্টাই খোলা। আদালত কোনও অবিচারকে প্রশ্রয় দেবে না।সুপ্রিম কোর্টের ভূমিকা নিয়ে সাম্প্রতিক সমালোচনার আবহে প্রধান বিচারপতির এই বক্তব্য বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। গত বুধবার ২০ জুলাইয়ের চলো সংসদ কর্মসূচিতে পুলিশের কথিত অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের ঘটনায় সুপ্রিম কোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে (suo motu) হস্তক্ষেপ করুকএমন মৌখিক আবেদন জানিয়েছিলেন এক আইনজীবী। সেই সময় আদালত বিষয়টি গ্রহণ না করায় নানা মহলে সমালোচনা শুরু হয়।এর পর শুক্রবার প্রকাশ্য আদালতেই বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি. মোহনার সঙ্গে বেঞ্চে থাকা প্রধান বিচারপতি জানান, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে এই বিষয়ে কোনও রিট পিটিশন দায়ের হয়নি। ফলে আদালত শুনানি বা তালিকাভুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছেএমন খবরকে তিনি দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে সমালোচনা করেন।এর কয়েক ঘণ্টা পর প্রবীণ আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণন আদালতে দুটি নতুন আবেদনের বিষয়টি উত্থাপন করেন। ওই আবেদনে বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশের কথিত বাড়াবাড়ি এবং ছাত্র বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলে জরুরি শুনানির আবেদন জানানো হয়। আইনজীবী জানান, আবেদনগুলির জন্য ইতিমধ্যে ডায়েরি নম্বর বরাদ্দ করা হয়েছে এবং সেগুলি আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্তও হয়েছে।বিষয়টি শুনে প্রধান বিচারপতি নির্দেশ দেন, আবেদনগুলি সোমবার শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করা হবে। ফলে এই ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের পথ এখন কার্যত উন্মুক্ত হয়েছে।পুরো বিতর্কের সূত্রপাত গত ২০ জুলাইয়ের চলো সংসদ কর্মসূচিকে ঘিরে। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কারের দাবিতে হাজার হাজার ছাত্র ও বিক্ষোভকারী সংসদের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তাঁদের অন্যতম দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ।বিক্ষোভকারীদের একাংশ ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে এবং লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ ওঠে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পুলিশ প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করেছে। যদিও দিল্লি পুলিশের বক্তব্য, বিক্ষোভকারীদের একাংশ সহিংস হয়ে ওঠে এবং পুলিশের দিকে পাথর ছোড়া শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই বলপ্রয়োগ করা হয়েছিল বলে দাবি পুলিশের।এই ঘটনাকে ঘিরে দিল্লি হাইকোর্টেও একাধিক আবেদন দায়ের হয়েছে। সেই মামলাগুলির শুনানির সময় সংশ্লিষ্ট পুলিশি পদক্ষেপের সিসিটিভি ফুটেজসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথি ও প্রমাণ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।অন্যদিকে, আদালতের তৎপরতার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকার এবং আন্দোলনকারীদের মধ্যে রাজনৈতিক আলোচনাও শুরু হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস পাওয়ার পর সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক ২৬ দিনের অনশন ভেঙেছেন। এরপর শুক্রবার সিজেপি-র একটি প্রতিনিধিদল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করে।বৈঠককে গঠনমূলক বলে দাবি করলেও আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তাঁদের মূল দাবিগুলি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন থামছে না। পুলিশের ভূমিকার জন্য দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কথিত অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের তদন্ত এবং দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কারএই দাবিগুলিকে সামনে রেখেই তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।ফলে একদিকে সুপ্রিম কোর্টে বিষয়টি নিয়ে শুনানির প্রস্তুতি, অন্যদিকে দিল্লি হাইকোর্টের নথি সংরক্ষণের নির্দেশ এবং কেন্দ্রের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের আলোচনাসব মিলিয়ে ঘটনাটি এখন একাধিক স্তরে এগোচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সুপ্রিম কোর্টের দরজা ২৪ ঘণ্টাই খোলা মন্তব্য সাধারণ নাগরিক, বিশেষ করে তরুণ সমাজের কাছে বিচার বিভাগের ভূমিকা সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে সামনে এসেছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
দেশ

ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক হলে মহিলাদের চাকরি দেবে না সংস্থা! সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য প্রধান বিচারপতির

ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করার দাবি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে হওয়া এক মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। শুক্রবার এই মামলার শুনানি চলাকালীন তিনি বলেন, যদি ঋতুকালীন ছুটি আইন করে বাধ্যতামূলক করা হয়, তাহলে অনেক সংস্থা মহিলা কর্মীদের নিয়োগ করতে চাইবে না। এই কারণ দেখিয়েই আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী নামে এক আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টে একটি আবেদন করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, ছাত্রী হোক বা কর্মরত মহিলা সবার জন্যই ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করা উচিত। তিনি উদাহরণ হিসেবে কেরল সরকারের একটি সিদ্ধান্তের কথাও তুলে ধরেন। দুই হাজার তেরো সালে রাজ্যের অধীনস্থ সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের জন্য ঋতুকালীন ছুটির ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। কিছু বেসরকারি সংস্থাও কর্মীদের জন্য এই ধরনের ছুটি চালু করেছে বলেও তিনি আদালতে উল্লেখ করেন।আবেদনকারীর দাবি ছিল, সব রাজ্যেই যেন এই ধরনের ছুটি আইন করে বাধ্যতামূলক করা হয়। সেই উদ্দেশ্যেই শীর্ষ আদালতে এই পিটিশন দাখিল করা হয়েছিল।তবে প্রধান বিচারপতি এই আবেদন সরাসরি খারিজ করে দেন। তিনি বলেন, ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করা হলে তার উল্টো প্রভাবও পড়তে পারে। তাঁর মতে, এতে অনেক মহিলার মনে হতে পারে যে তাঁরা পুরুষদের তুলনায় পিছিয়ে। একই সঙ্গে অনেক সংস্থা তখন মহিলা কর্মীদের নিয়োগ করতে অনীহা দেখাতে পারে।প্রধান বিচারপতির কথায়, ঋতুস্রাব নিয়ে সচেতনতা তৈরি করা অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু যদি আইন করে এই ছুটি বাধ্যতামূলক করা হয়, তাহলে কিছু নিয়োগকারী সংস্থা মনে করতে পারে যে মহিলাদের কাজের ক্ষেত্রে আলাদা সমস্যা রয়েছে। সেই কারণ দেখিয়ে তারা মহিলা কর্মীদের নিয়োগ কমিয়ে দিতে পারে।তিনি আরও বলেন, কিছু সংস্থা ইতিমধ্যেই স্বেচ্ছায় কর্মীদের ঋতুকালীন ছুটি দেয়। কিন্তু বিষয়টি আইনের আওতায় আনা হলে তা অনেক সময় মহিলাদের কর্মজীবনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দেশের কিছু রাজ্যে ইতিমধ্যেই এই ধরনের ছুটির ব্যবস্থা রয়েছে। কর্নাটকে গত বছর একটি আইন পাশ হয়েছে, যেখানে মহিলা কর্মীরা মাসে এক দিন সবেতন ঋতুকালীন ছুটি পাবেন। বিহারে আবার উনিশশো বিরানব্বই সাল থেকেই মাসে দুদিন ঋতুকালীন ছুটির নিয়ম চালু রয়েছে। দুই হাজার চব্বিশ সালে ওড়িশা সরকারও মহিলা কর্মীদের জন্য মাসে এক দিন ঋতুকালীন ছুটিতে সম্মতি জানিয়েছিল।

মার্চ ১৩, ২০২৬
দেশ

১৪ মাসের জন্য দেশের শীর্ষ বিচারক সূর্য কান্ত! জানুন কোন মামলাগুলি আগে শুনানি হবে

ভারতের সুপ্রিম কোর্টে নেতৃত্ব বদল হল আজ, ২৪ নভেম্বর। পদ ছাড়লেন দেশের প্রধান বিচারপতি বিআর গভাই। তাঁর জায়গায় দেশের ৫৩তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন বিচারপতি সূর্য কান্ত। রাষ্ট্রপতি ভবনে সোমবার সকালে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। প্রধান বিচারপতি গভাই তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে সূর্য কান্তের নামই সুপারিশ করেছিলেন। তবে নতুন প্রধান বিচারপতির মেয়াদ খুব দীর্ঘ নয়আগামী প্রায় ১৪ মাস তিনি দেশের সর্বোচ্চ বিচারপতির দায়িত্বে থাকবেন।হরিয়ানার একটি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারে ১৯৬২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি জন্মসূর্য হয়ে ওঠা সূর্য কান্তের আইনি জীবনের শুরু হিসারে ১৯৮৪ সালে। পরে তিনি পঞ্জাব-হরিয়ানা হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করতে চলে আসেন। তাঁর আইনজীবী জীবনের উত্থানও কম নাটকীয় নয়২০০০ সালে হরিয়ানার ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে অ্যাডভোকেট জেনারেল হন তিনি। পরের বছরই পান সিনিয়র অ্যাডভোকেটের মর্যাদা। ২০০৪ সালে তাঁকে পঞ্জাব-হরিয়ানা হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ করা হয়।এরপর ২০১৮ সালের অক্টোবরে তিনি হিমাচল প্রদেশ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হন এবং ২০১৯ সালের মে পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন। সেখান থেকে তাঁর পদোন্নতি হয় সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে তিনি সুপ্রিম কোর্টের লিগাল সার্ভিস কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে কাজও করছেন।Attended the oath taking ceremony of Justice Surya Kant as the Chief Justice of India. Best wishes to him for his tenure ahead. pic.twitter.com/62yeSlfmsx Narendra Modi (@narendramodi) November 24, 2025প্রধান বিচারপতির চেয়ারে বসার আগে সূর্য কান্ত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেনতাঁর প্রথম লক্ষ্য হবে দেশের সমস্ত হাইকোর্টের সঙ্গে যোগাযোগ করে জেলা ও নিম্ন আদালতগুলিতে কোন কোন জায়গায় কাজের সমস্যা রয়েছে, তা নির্দিষ্টভাবে খুঁজে বের করা। বহু গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায় বছরের পর বছর ঝুলে থাকা নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, আসন্ন কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই পাঁচ সদস্য, সাত সদস্য ও নয় সদস্যের বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করে তিনি সেই মামলাগুলি দ্রুত শুনানিতে আনবেন।দেশের বিচারব্যবস্থার গতি বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে নতুন প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব গ্রহণএই পরিবর্তনকে ঘিরে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে আইনজগত থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
দেশ

প্রধান বিচারপতিকে চিঠি ২০৯৩ মহিলা আইনজীবীর

বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে ক্রমাগত চাপ বাড়ছে রাজ্য সরকারের উপর। অশান্তির ঘটনা কমে এলেও যে ঘটনাগুলি ভোট শেষ হওয়ার পরই ঘটেছে তার রেশ এখনও জিইয়ে রয়েছে। নির্বাচন পরবর্তী হিংসা নিয়ে ফের একবার সুপ্রিম কোর্টে নতুন করে অভিযোগ দায়ের করা হল। শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি এনভি রামনার কাছে এই নিয়ে নালিশ জানিয়েছেন দেশের প্রায় ২০০০ মহিলা আইনজীবী। বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিকে তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাওয়া হয়েছে।বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে ইতিমধ্যেই একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে শীর্ষ আদালতে। কখনও মামলায় দাবি করা হয়েছে, রাজ্যে যেন রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়। কোনও মামলার আবার দাবি, রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করুক আদালত। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে যদিও বারবার দাবি করা হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী তৃতীয়বার শপথ গ্রহণের পর থেকে অশান্তির ঘটনা কমে গিয়েছে। তবে বিজেপি তেমনটা মানতে নারাজ।ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি নিয়ে রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়ে রিপোর্ট তলব করেছে। যদিও রাজ্যের পক্ষ থেকে এখনও কোনও জবাব এই নিয়ে দেওয়া হয়নি। এরই মধ্যে আদালতের উপর চাপ বাড়িয়ে প্রধান বিচারপতিকে একটি চিঠি লিখে নালিশ জানালেন মহিলা আইনজীবীরা। সূত্রের খবর, নালিশের এই চিঠিতে স্বাক্ষর রয়েছে ২ হাজার ৯৩ জন মহিলা আইনজীবীর। ২৮ টি রাজ্য এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মহিলা আইনজীবীরা এই নালিশ জানিয়েছেন।আইনজীবীদের অভিযোগ, গত ২ মে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে। পরিস্থিতির কোনও উন্নতি এখনও দেখা যায়নি। এখনও পর্যন্ত হিংসার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। তাই প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে আবেদন জানানো হয়েছে, তিনি যাতে বিষয়টি নিয়ে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে কোনও পদক্ষেপ করেন।

মে ২৫, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ষোড়শ অর্থ কমিশনের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিয়ে পূর্ব বর্ধমানে দিনভর কর্মশালা, উপস্থিত জেলার বিভিন্ন স্তরের আধিকারিকরা

গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে অর্থ বরাদ্দের নিয়ম, প্রযুক্তিগত প্রয়োগ ও পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনানিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব বর্ধমান: গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির উন্নয়নমূলক কাজের ধারাকে আরও গতিশীল করতে কেন্দ্রীয় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ অর্থের সঠিক ও সময়োপযোগী ব্যবহারের উপর জোর দিল পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। সোমবার, ২ নভেম্বর পূর্ব বর্ধমান জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় এবং STARPARD-এর উদ্যোগে আয়োজিত হল একদিনের বিশেষ কর্মশালা। জেলার সমস্ত সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও), যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক, ব্লক তথ্যপ্রযুক্তি আধিকারিক-সহ বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরা এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।কালনা গেটের এগ্রিকালচার ফার্মে অবস্থিত জেলা পঞ্চায়েত প্রশিক্ষণ ও সম্পদ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পূর্ব বর্ধমানের জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের আধিকারিক শ্রী অনির্বাণ রায়।কর্মশালায় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ অর্থ কোন কোন ক্ষেত্রে এবং কীভাবে ব্যবহার করা যাবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সরকারি নির্দেশিকা মেনে অর্থ ব্যয়ের নিয়মকানুন, বরাদ্দ অর্থ ব্যবহারের প্রযুক্তিগত ও প্রায়োগিক দিক এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে আধিকারিকদের অবহিত করা হয়। পাশাপাশি, অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় শংসাপত্র জমা দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতিগুলির থিমভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনায় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ কীভাবে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়েও প্রশিক্ষকরা বিস্তারিত আলোচনা করেন। স্থানীয় স্তরে উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখা এবং সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্পের সুফল পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য বলে কর্মশালায় উঠে আসে।বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে স্থানীয় উন্নয়নে জোর২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে স্থানীয় স্তরে উন্নয়নমূলক কাজের গতি বাড়ানোর উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। ষোড়শ অর্থ কমিশনের অর্থ যাতে আরও কার্যকরভাবে জনস্বার্থে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশ দেন প্রশিক্ষকরা।কর্মশালার সভাপতি তথা জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন আধিকারিক শ্রী অনির্বাণ রায় বরাদ্দ অর্থের সঠিক, স্বচ্ছ ও সময়োপযোগী ব্যবহারের জন্য সকল আধিকারিকের কাছে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শুধু আধিকারিক স্তরেই নয়, গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদেরও ধাপে ধাপে এই বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও সচেতনতার আওতায় আনা হবে।দিনভর চলা এই কর্মশালায় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ ও অর্থ ব্যবহারের নিয়মাবলি, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এবং যথাযথ ব্যবহারের পর প্রয়োজনীয় শংসাপত্র প্রদানের বিষয়গুলি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়। প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পঞ্চায়েত স্তরে উন্নয়নমূলক কাজে অর্থের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই কর্মশালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

দীপাবলিতে বাজি না পোড়ানোর বার্তা দিতেই তীব্র আক্রমণ! মারাত্মক বিতর্কের মুখে বলি অভিনেত্রী দিয়া মির্জা

আদালতের নির্দেশে শব্দবাজি না পোড়ানোর বার্তা দেওয়াই যেন কাল হলো বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জার জন্য। দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়তে আমজনতার কাছে বিশেষ আবেদন জানিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিল বৃহ্নমুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন। কিন্তু সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্কের ঝড়। মুম্বই বিজেপির সভাপতি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কীভাবে দীপাবলি পালন করতে হবে তা নিয়ে কারোর কাছে কোনো জ্ঞান শুনতে চান না তিনি। চমকপ্রদ বিষয় হলো, একই ধরনের সচেতনতামূলক ভিডিও তৈরি করা হয়েছিল মাধুরী দীক্ষিত, অজিঙ্ক রাহানে এবং নিশিগন্ধা ওয়াডকে দিয়েও। কিন্তু বাকি তিন তারকার বিরুদ্ধে একটি কথাও না উঠলেও, আক্রমণের সমস্ত তির গিয়ে বিধেছে কেবল দিয়া মির্জার গায়েই।আসলে কিছু দিন আগেই পরিবেশ রক্ষা ও শব্দদূষণ রুখতে বম্বে হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে, দূষণমুক্ত উৎসব পালনে পরিচিত মুখদের দিয়ে সচেতনতামূলক প্রচার চালাক প্রশাসন। দিয়া মির্জা দীর্ঘ দিন ধরেই পরিবেশ সংক্রান্ত নানা বিষয়ে সরব হন, সেই কারণেই হয়তো বিএমসি তাঁকে এই বার্তার জন্য বেছে নিয়েছিল। পুরনিগমের অফিসিয়াল হ্যান্ডেল থেকে প্রকাশিত সেই ভিডিওতে দিয়া সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করেছিলেন যাতে তাঁরা বাজি না ফাটান এবং উৎসবের নামে শব্দদূষণ থেকে বিরত থাকেন।কিন্তু এই ভিডিও সামনে আসার পরেই চরম ক্ষোভ উগরে দেন মুম্বই বিজেপির সভাপতি অমিত সাতনাম। সরাসরি দিয়াকে নিশানা করে তিনি স্পষ্ট জানান, কীভাবে উৎসব উদযাপন করা হবে তা অন্য কারো কাছ থেকে শেখার প্রয়োজন নেই, কারণ দেশের সংস্কৃতির সঙ্গেই এই রীতিনীতিগুলি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। মজার বিষয় হলো, যে পুরনিগম ভিডিওটি তৈরি করেছে সেই বিএমসির দায়িত্বে বর্তমানে এই দলই রয়েছে। নিজেদের প্রশাসনের উদ্যোগে তৈরি ভিডিও হলেও বিতর্ক তীব্র আকার ধারণ করতেই তড়িঘড়ি দিয়া মির্জার বার্তাটি সোশাল মিডিয়া থেকে মুছে ফেলা হয়। ঠিক কী কারণে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হলো তা নিয়ে বিএমসি মুখ খোলেনি, তবে মাধুরী বা রাহানের মতো অন্য তারকাদের ভিডিও কিন্তু এখনও পেজে বহাল তবিয়তে রয়েছে। এই পুরো ঘটনাটি কেন্দ্র করে বর্তমানে চরম শোরগোল মুম্বইয়ের রাজনীতিতে।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর পাস কেলেঙ্কারিতে এবার ইন্দ্রনীল-কন্যা! স্ত্রীকে জেরার পর সোমবারই লালবাজারে তলব আভেরিকে, তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি

দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো-এর নাম করে ইউনেস্কোর লোগো বেআইনিভাবে ব্যবহার ও পাস বিক্রির বিরাট দুর্নীতি কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। শনিবার প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রীকে জেরা করার পর, এবার লালবাজার গোয়েন্দাদের স্ক্যানারে তাঁর মেয়ে আভেরি সেন। সোমবারই তাঁকে লালবাজারে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ জারি করেছেন তদন্তকারীরা। লালবাজার সূত্রের খবর, তদন্তে নেমে প্রাক্তন মন্ত্রীর মেয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও মোটা টাকার অসংগতিপূর্ণ লেনদেনের চরম সূত্র পেয়েছেন সিটের আধিকারিকরা। আর সেই টাকার উৎসের খোঁজ পেতেই আভেরিকে সামনাসামনি বসিয়ে জেরা করতে চায় পুলিশ।উল্লেখ্য, প্রাক্তন মন্ত্রীকে গরাদে পুরার তিন দিনের মধ্যেই শনিবার তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনকে লালবাজারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জেরা করে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট। পাস বিক্রির দায়িত্বে থাকা মাস আর্ট নামক সংস্থার সভানেত্রী ছিলেন মধুছন্দাদেবী। সংস্থার নানা নথিপত্রে তাঁর সই যেমন রয়েছে, তেমনই ইউনেস্কোর লোগো অবৈধভাবে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার পেছনেও তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। লালবাজারের দাবি, ইন্দ্রনীল সেনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সংস্থা থার্ড লাইন ক্রিয়েশন থেকে প্রায় ৬৬ লাখ টাকা পাঠানো হয়েছিল এই মাস আর্ট সোসাইটিকে। এরপর সেই টাকার একটা বড় অংশ, অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ২২ লাখ টাকা ঘুরপথে চলে যায় আইস্কেপ ও মায়রা নামের দুটি সংস্থায়। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, এই দুটি সংস্থার পুরোটাই পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করতেন ইন্দ্রনীলের কন্যা আভেরি।সেই জটিল আর্থিক লেনদেনের জাল গুটিয়ে আনতেই এবার সেন বাড়ির মেয়েকে তলব করল লালবাজার। তদন্তকারীদের সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রাক্তন মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একাধিক সংস্থার কর্মীদের উপরও কড়া নজর রাখা হচ্ছে। খুব দ্রুত তাঁদের প্রত্যেককেও একে একে ডেকে জেরা করা হবে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি বড় দুর্গোৎসবের উদ্যোক্তারা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন যে, ইউনেস্কোর লোগো দেখেই তাঁরা এই উদ্যোগে বিশ্বাস রেখেছিলেন। মাস আর্টের কর্মীরাই সরাসরি মণ্ডপে গিয়ে প্রিভিউ শো-এর সমস্ত বন্দোবস্ত করতেন। পরিবর্তে পুজো কমিটিগুলিকে সামান্য কিছু টাকা ও প্রবেশদ্বারে আলোর গেট বসানোর সুযোগ দেওয়া হতো। ওই বিজ্ঞাপনী গেট বাবদ দেড় থেকে দুলাখ টাকা হাতে পেলেও, কোটি কোটি টাকার পাস বেচে উদ্যোক্তাদের সামান্য কিছু টাকায় সন্তুষ্ট রাখা হয়েছিল বলে বিস্ফোরক তথ্য পেয়েছে লালবাজার। সোমবার ইন্দ্রনীল-কন্যার জেরার পর এই দুর্নীতিতে আরও বড় মাথার নাম সামনে আসে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্য রাজনীতি।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
দেশ

১১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি কার জন্য? দিল্লির ব্যবসায়ীদের অভিযোগের জবাব দিলেন রাহুল

দিল্লির রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া জোটের জনসভাকে ঘিরে নতুন বিতর্ক। ওই সভার কারণে এক দিনেই ১১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করল দিল্লির ব্যবসায়ী সংগঠন। তাদের অভিযোগ, উৎসবের মরশুমের ঠিক আগে এই সভার আয়োজন করায় শহরের বহু বাজার বন্ধ রাখতে হয়েছিল। যান চলাচলেও নিয়ন্ত্রণ জারি ছিল। ফলে খুচরো ও পাইকারি ব্যবসা থেকে শুরু করে পরিবহণ, হোটেল এবং পর্যটন ক্ষেত্রেও বড় ক্ষতি হয়েছে।চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দাবি, রবিবার ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া জোটের বড় সভার কারণে দিল্লির ব্যবসায়ীরা বিপুল লোকসানের মুখে পড়েছেন। সংগঠনের অভিযোগ, দীপাবলির আগে এই সভা না করার জন্য রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী নেতাদের কাছে বারবার আবেদন জানানো হয়েছিল। চিঠি লিখে তাঁদের অনুরোধ করা হয়েছিল, দীপাবলির পরে সভার আয়োজন করতে। কারণ, সভার জন্য যানজট এবং রাস্তা বন্ধ থাকার কারণে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হতে পারে বলে আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু সেই অনুরোধ রাখা হয়নি বলে দাবি ব্যবসায়ী সংগঠনের।সংগঠনটির দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, রামলীলা ময়দানের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা একাধিক বড় বাজারে ব্যবসা বন্ধ ছিল। কাশ্মীরি গেট, মোরি গেট, চাঁদনি চক, চৌরি বাজার, খারি বাওলি, নয়া বাজার, সদর বাজার, আজমেরি গেট, দরিয়াগঞ্জ, পাহাড়গঞ্জ, কমলা মার্কেট, জামা মসজিদ, লাজপত রাই মার্কেট, তিলক বাজার, কনট প্লেস, গফ্ফর মার্কেট এবং করোল বাগের মতো এলাকার বাজারে এর প্রভাব পড়ে বলে দাবি করা হয়েছে।চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির হিসাব বলছে, দিল্লির প্রায় তিন লক্ষ দোকানের মধ্যে আড়াই লক্ষ দোকান বন্ধ ছিল। এর ফলে খুচরো ও পাইকারি ব্যবসায় প্রায় ৮৮০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি সংগঠনের।শুধু দোকানপাট নয়, পরিবহণ এবং পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রেও বড় ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। রামলীলা ময়দানের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকায় পরিবহণ ও পণ্য সরবরাহে প্রায় ১৫০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। এ ছাড়া হাসপাতাল, হোটেল, রেস্তরাঁ এবং পর্যটন ক্ষেত্র মিলিয়ে আরও প্রায় ৫০০ কোটি টাকার লোকসান হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।সব মিলিয়ে এক দিনের জনসভার কারণে ১১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তাদের। এই ক্ষতির দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন ব্যবসায়ীরা।অন্য দিকে, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এই অভিযোগের পাল্টা কেন্দ্রীয় সরকারকে দায়ী করেছেন। তাঁর দাবি, জোর করে দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ফলে দিল্লির ব্যবসায়ীদের ক্ষতির জন্য বিরোধীদের সভাকে দায়ী করা ঠিক নয় বলেই তাঁর বক্তব্য।ব্যবসায়ী সংগঠনের অভিযোগ এবং রাহুল গান্ধীর পাল্টা বক্তব্য ঘিরে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তবে ১১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতির হিসাব ব্যবসায়ী সংগঠনের দাবি। এই অঙ্কের স্বাধীন যাচাইয়ের তথ্য এখনও সামনে আসেনি।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
রাজ্য

দীর্ঘদিনের সঙ্গীকেই আছড়ে দিল হাতি! আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে মাহুত হীরা

দীর্ঘদিন ধরে হাতির সঙ্গে কাজ করছেন তিনি। সেই হাতির হামলাতেই গুরুতর জখম হলেন মাহুত হীরা রাভা। সোমবার সকালে আলিপুরদুয়ারের পানিঝোরা এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। আহত অবস্থায় তাঁকে আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। তাঁর মেরুদণ্ডে চোট লেগেছে। শরীরের একাধিক হাড়েও চিড় ধরেছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় বনকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আহত মাহুতের চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ ওরাওঁ।বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ ইস্ট দমনপুর রেঞ্জের চেকো বিটের পানিঝোরা এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। চন্দন নামে একটি হাতিকে জঙ্গলে ঘোরানোর পর ডিপোয় ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন মাহুত হীরা। সেই সময় আচমকাই পিছন দিক থেকে হীরাকে ধাক্কা মারে হাতিটি। আচমকা এই আক্রমণে সামলে উঠতে পারেননি তিনি। গুরুতর জখম হন হীরা।ঘটনার পরেই ছুটে আসেন অন্য বনকর্মীরা। তাঁরা কোনও রকমে চন্দনকে ডিপোর ভিতরে আটকে রেখে আহত হীরাকে উদ্ধার করেন। এর পর তাঁকে দ্রুত আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।হাসপাতালের অস্থিরোগ বিশেষজ্ঞ অনিন্দ্য সাহা জানিয়েছেন, হীরার শারীরিক অবস্থা বেশ গুরুতর। তাঁর মেরুদণ্ডে সমস্যা রয়েছে। এ ছাড়া শরীরের একাধিক হাড়ে চিড় ধরেছে। চিকিৎসকেরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করছেন।দীর্ঘদিন ধরে হাতির সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এমন ঘটনার মুখে পড়লেন হীরা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বনকর্মীদের নিরাপত্তার জন্য কী ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।ঘটনার খবর পেয়ে রাজ্যের বন ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী মনোজকুমার ওরাওঁ আহত মাহুতের চিকিৎসার বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, হীরার সঙ্গে দেখা করে তাঁর চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে। আপাতত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাহুতের শারীরিক অবস্থার দিকেই নজর রয়েছে সকলের।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
রাজ্য

অন্ধ্রের দিকে ধেয়ে আসছে মুরাসু, বাংলায় সোমবার থেকে মঙ্গলবার কোথায় কোথায় বৃষ্টি?

ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে মুরাসু। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার মাঝরাতের পর অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশের ওঙ্গোলের কাছে ঘূর্ণিঝড়টির আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলার আবহাওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কি রাজ্যে দুর্যোগ নামবে?আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর সরাসরি প্রভাব বাংলায় পড়ার সম্ভাবনা নেই। তবে আগামী সোমবার ও মঙ্গলবার রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আকাশ মেঘলা থাকার পাশাপাশি কোথাও কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। বিক্ষিপ্ত ভাবে এক-দুটি জায়গায় হালকা বৃষ্টিও হতে পারে। সোমবার ও মঙ্গলবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বুধবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই।দক্ষিণবঙ্গেও সোমবার ও মঙ্গলবার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি।কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। শনিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।তবে ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর সরাসরি প্রভাব বাংলায় পড়ার আশঙ্কা না থাকায় রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকায় আপাতত কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি। অন্য দিকে, বঙ্গোপসাগরে সমুদ্র উত্তাল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বুধবার পর্যন্ত পশ্চিম-মধ্য ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই তৎপর হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ প্রশাসন। সম্ভাব্য বিপদ এড়াতে একাধিক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করা হচ্ছে। আপাতত নজর রয়েছে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ এবং উপকূলে আছড়ে পড়ার পরিস্থিতির দিকে।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

মাঝরাতে মহাকরণের কাছে ভয়াবহ আগুন! পুড়ে ছাই অফিসের নথি, ঘটনাস্থলে ১০টি ইঞ্জিন

মাঝরাতে কলকাতার বুকে ফের অগ্নিকাণ্ড। মহাকরণের পিছনে বিবাদী বাগের লায়ন্স রেঞ্জ এলাকায় একটি বহুতলের অফিসে আগুন লাগল। রবিবার ভোররাতে এই ঘটনা নজরে আসে স্থানীয় বাসিন্দাদের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। আগুনে অফিসের বহু নথিপত্র ও কম্পিউটার পুড়ে গিয়েছে বলে খবর। কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দমকল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মহাকরণের ঠিক পিছনে লায়ন্স রেঞ্জ এলাকায় ওই বহুতলটি রয়েছে। সেখানে চার থেকে পাঁচটি সংস্থার অফিস রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রবিবার ভোররাত সাড়ে ৩টে নাগাদ বহুতলটি থেকে ধোঁয়া বেরতে দেখেন আশপাশের বাসিন্দারা। এর পর দ্রুত দমকলে খবর দেওয়া হয়। দমকলের ১০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।আগুনের উৎস খুঁজতে এবং ভিতরে জমে থাকা ধোঁয়ার মধ্যে কাজ করতে দমকল কর্মীরা বিশেষ যন্ত্র ও গ্যাস মাস্ক ব্যবহার করেন। সকালের দিকে আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে তার আগেই বহুতলের চারতলায় থাকা অফিসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।দমকল কর্মীদের দাবি, আগুনে অফিসের নথিপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। কম্পিউটারও ভস্মীভূত হয়েছে। সকাল ৮টার পরেও বহুতলের কিছু জায়গায় আগুনের ছোট ছোট অংশ জ্বলছিল। সেগুলি নেভানোর কাজ চালান দমকল কর্মীরা। এর পর শুরু হয় ঠান্ডা করার প্রক্রিয়া, যাতে ফের আগুন ছড়িয়ে পড়তে না পারে। অগ্নিকাণ্ডের খবর সংশ্লিষ্ট অফিস কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে। কী কী নথি নষ্ট হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কীভাবে আগুন লাগল, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। প্রাথমিক ভাবে শর্ট সার্কিটের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, দমকলের তরফে এখনও কোনও কারণ নিশ্চিত করা হয়নি। আগুন পুরোপুরি নিভে যাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরীক্ষা করে অগ্নিকাণ্ডের উৎস খোঁজা হবে। পাশাপাশি, বহুতলটির অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিক ছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে বলে দমকল সূত্রে খবর।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

দীর্ঘক্ষণ শৌচালয় থেকে বেরোলেন না, দরজা ভেঙে উদ্ধার দেহ! বিধানসভায় কী ঘটেছিল?

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার শৌচালয় থেকে এক ক্যান্টিন কর্মীর দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার সকালে এই ঘটনা ঘটে। মৃতের নাম উমেশ চন্দ্র। তাঁর বয়স ৪৬ বছর। তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে বিধানসভার ক্যান্টিনে কাজ করছিলেন। কী কারণে তাঁর মৃত্যু হল, তা খতিয়ে দেখছে কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড শাখা। তদন্তে পুলিশ কুকুরও নামানো হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল ৯টা ১০ মিনিট নাগাদ বিধানসভার শৌচালয় থেকে উমেশের দেহ উদ্ধার হয়। প্রতিদিনের মতো এ দিনও তিনি শৌচালয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু অনেকক্ষণ পেরিয়ে যাওয়ার পরেও তিনি বাইরে বেরিয়ে আসেননি। বিষয়টি নজরে পড়ে তাঁর সহকর্মীদের। তাঁরা ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া পাননি। এর পর সন্দেহ হওয়ায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে শৌচালয়ের দরজা ভেঙে ভিতর থেকে উমেশের দেহ উদ্ধার করে।এর পর তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ সূত্রে খবর, উমেশের দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তা হলে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।উমেশের এক সহকর্মীর দাবি, শৌচালয়ে গিয়ে কোনওভাবে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। পড়ে যাওয়ার সময় তাঁর মাথা বেসিনে লেগে থাকতে পারে বলেও জানান ওই কর্মী। তাঁর কথায়, উমেশের এক দাদা ও বৌদি রয়েছেন। তিনি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। তবে ঠিক কী কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।

নভেম্বর ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal